Powered by Blogger.

Pages

  • Home
  • About Us
  • Terms and Conditions
  • Privacy Policy
  • Disclaimer
  • Contact

ভারত || আধ্যাত্মিক || সামাজিক || ভ্রমণ

আধ্যাত্মিক, সামাজিক ও ভারতের বিভিন্ন ভ্রমণ স্থানের শুধুমাত্র তথ্য পরিবেশন

  • ভ্রমণ
  • আধ্যাত্মিক
  • ভারত
  • সামাজিক

 

                    হার্সিল বা হরসিল, যা এখনও পর্যটকদের কাছে অপেক্ষাকৃত অপরিচিত, যারা শান্তিতে এবং শান্তির সন্ধানে উৎসুক তাদের জন্য আদর্শ স্থান । হরসিল হ'ল ছুটির দিনগুলির জন্য পুরো ছুটির প্যাকেজ, এটি হিমালয়ের পার্বত্যে এবং পাইন ও দেবদারুর ঘন বনের সাথে ভাগীরথী নদী এই অঞ্চল জুড়ে রয়েছে। আপনি যদি গড়ওয়াল হিমালয়ের কোনও অ্যাডভেঞ্চারের জায়গা সন্ধান করেন তবে হরসিল একটি প্রকৃতি প্রেমীর স্বর্গ এবং দেখার জন্য দুর্দান্ত জায়গা। যারা ট্রেকিং, হাইকিং এবং অন্যান্য অ্যাডভেঞ্চার ক্রিয়াকলাপ, বাইক চালানো উপভোগ করেন তাদের জন্য গ্রামটি বাস্তবায়িত স্বপ্ন পূরণ ।

                 এই গ্রাম, এটি বহু ট্রেকিং ট্রেলগুলির জন্যও পরিচিত এবং সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২৬২৫ মিটার উঁচুতে অবস্থিত, এটি আপেল বাগানের জন্যও বিখ্যাত। উত্তপ্ত গ্রীষ্ম এবং শীতে হিমশীতল স্থান, গঙ্গোত্রী রোডে উত্তরকাশি থেকে এটি ৭০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত । রোমান্টিক বেড়ানো বা পারিবারিক ছুটি যারা খুঁজছেন তাদের জন্য হার্সিল অবশ্যই দেখতে হবে।

           প্রায় আটটি গ্রাম নিয়ে হরসিল উপত্যকাটি উত্তরকাশি জেলার ভারত-চীন সীমান্তের নিকটে অবস্থিত। উপত্যকায় বন্যপ্রাণী এবং অ্যাডভেঞ্চার ট্যুরিজমের সম্ভাবনা রয়েছে। কর্মসংস্থানের পাশাপাশি স্থানীয় হিমালয়ের এই অঞ্চলটিকে সংরক্ষণের আওতায় আনার লক্ষ্যে উত্তরাখণ্ড সরকারও এই অঞ্চলে দেশের প্রথম স্নো চিতা সংরক্ষণ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করছে।

             সুক্কি, মুখবা, হারসিল, বাগোরি, ধারালী, ঝালা, জসপুর, এবং পুরালীর বাসিন্দারা স্থানীয় পরিবেশ এবং উদ্ভিদ-প্রাণীর সাথে পরিচিত বলে ট্রেকিং এবং পাখি পর্যবেক্ষণের জন্য সংরক্ষণ গাইড হিসাবে ট্রেনিং পাবেন।

কাছাকাছি দর্শনীয় স্থান :

সাত-তাল :

           সাত-তাল প্রাকৃতিক সম্পদ, পরিযায়ী পাখি এবং আশ্চর্যজনক দৃশ্যে সমৃদ্ধ সাতটি মিঠা পানির হ্রদের একটি সঙ্গমস্থল । এই অঞ্চলটি  সাতটি আন্তঃসংযুক্ত হ্রদ, যেমন পান্না, নলদ্বন্তী তাল, রাম, সীতা, লক্ষ্মণ, ভারত এবং সুখা তালকে নিয়ে গঠিত, যা ওক ও পাইনের সবুজ দ্বারা সজ্জিত এবং সমুদ্রতল থেকে ১৩৫০ মিটার উচ্চতায় ও কুমায়ুন অঞ্চলে এটি অবস্থিত ।

                    প্রকৃতি প্রেমিক এবং পাখি পর্যবেক্ষকদের আঁতুরঘর সাত-তাল অনেক রহস্যকে বহন করে, যা একজন ফটোগ্রাফারের স্বপ্নের জায়গা হিসাবে এর আকর্ষণকে আরও বাড়িয়ে তোলে। এটি হরসিল থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে এবং ধারালী থেকে প্রায় চার কিলোমিটার দূরে।

                     এছাড়া, পর্যটকেরা গঙ্গোত্রী, গঙ্গনানী (গরম জলের কুন্ড), মুখওয়াস গ্রাম, ধারালী এবং হরসিল উপত্যকার আশেপাশে ছড়িয়ে থাকা অনেকগুলি দুর্দান্ত জায়গা দর্শন করতে পারেন।

দেখার সেরা সময় :

                হারসিলের গ্রীষ্মকাল ভাল আবহাওয়ার একটি মরসুম। সন্ধ্যাগুলি দর্শনীয় স্থানগুলির জন্য মনোরম, কারণ তারা অপেক্ষাকৃত শীতল এবং মনোরম। আপনি যদি শীতকালে ভ্রমণ করেন তবে কিছু ভারী উলের শীতের পোশাক নিয়ে আসবেন । হারসিলের শীত হাড়-শীতল ঠান্ডা, তাপমাত্রা কখনও কখনও হিমাঙ্কের নীচে নেমে আসে। তাই শীতের আবহাওয়ায় ভারী উলের ব্যবহার প্রয়োজন। ট্র্যাকিং সময়ের সাথে আরও জটিল হয়ে ওঠে তবে এটি এখনও একটি সুন্দর দৃশ্য বহন করে । বর্ষার সময় স্থানটি সতেজ এবং প্রস্ফুটিত হয়, তবে একটি ভূমিধ্বস মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে। সুতরাং, এপ্রিল থেকে অক্টোবর মাসগুলি হার্সিল দেখার জন্য উপযুক্ত সময় ।

কিভাবে যাবেন :

            ঋষিকেশ রেলওয়ে স্টেশন হরসিল থেকে ২১৮ কিলোমিটার দূরে। এটি ভারতের সবচেয়ে বড় শহরগুলির সাথে নিয়মিত ট্রেন দ্বারা যুক্ত, এটি গ্রামের নিকটতম স্টেশন। স্টেশনের বাইরে ট্যাক্সি এবং বাসগুলি দর্শকদের তাদের পছন্দসই জায়গায় নিয়ে যাবে।

                   হারসিলের নিকটতম বিমানবন্দরটি দেরাদুন, যা ১১০ কিলোমিটার দূরে। দর্শনার্থীরা এয়ারবেস থেকে গ্রামে যেতে খুব সহজেই একটি ট্যাক্সি ভাড়া নিতে পারেন।

                         স্থানীয় - হরসিল এমন একটি গ্রাম যেখানে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যাওয়ার জন্য ট্যাক্সি সহজলব্ধ । এগুলি বাদ দিয়ে, আপনি কোনও অঞ্চলে গাড়িতে যেতে পারবেন না এমন অঞ্চলগুলিতে আপনি পায়ে হেঁটে ভ্ৰমণ করতে পারবেন, এবং তার সুন্দর্য ও আকর্ষণ অন্য মাত্রা বহন করবেই। অন্যদিকে হারসিলের কমনীয়তা ও প্রশান্তি নিঃসন্দেহে একটি অবিস্মরণীয় যাত্রায় পরিণত করবে।


                    মৌসুনি দ্বীপ বঙ্গোপসাগরের উপকূলে মুড়িগঙ্গার মোহনায় অবস্থিত। বিগত কয়েক বছর ধরে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে পর্যটকদের কাছে। লম্বা দ্বীপটিকে (প্রায় ১৬ কিমি) মূল ভুখন্ড থেকে চিনাই নদী আলাদা করে রেখেছে। মাছধরা ও কৃষিকাজই দ্বীপের বাসিন্দাদের প্রধান জীবিকা। এই দ্বীপের প্রায় সব বাড়ি মাটির এবং দ্বীপটি থেকে কিছুটা দূরে জম্বুদ্বীপ ও সাগরদ্বীপ দেখা যায়। মৌসুনি দ্বীপ, বালিয়ারা গ্রাম পঞ্চায়েতের মধ্যে পড়ে। তবে এই দ্বীপটিতে পর্যটন শিল্প গড়ে ওঠার দরুন স্থানীয় গ্রামবাসী অনেক উপকৃত হয়েছেন। 

                    এখানে দীঘা বা পুরীর মতো সেইরকম ঢেউ নেই, দোকানপাট, মন্দির, মেলা, ভিড় বা সমুদ্রের গর্জনও নেই । কিন্তু আছে সমুদ্রের শান্ত পরিবেশ, ঝাউ ও ম্যানগ্রোভের সবুজ প্রকৃতি, নির্জন বালিতে ঘুরে বেড়ানো, অবশ্যই সঙ্গে লাল কাঁকড়ার দল । কোনরকম বিরক্তিকর পরিবেশ নেই, যতক্ষন খুশি শান্ত সমুদ্রের ঢেউ দেখুন বা স্নান করুন । তবে সূর্যাস্তের সময় পশ্চিম আকাশের মায়াবী রঙিন ছটা, আর সমুদ্রের জলের উপর তার প্রতিফলন, জীবনের এক অবিস্মরণীয় মুহূর্ত হয়ে চিরকাল রয়ে যাবে ।

                        এই দ্বীপে থাকার জন্য কোন হোটেলের ব্যবস্থা নেই । ইকোট্যুরিজম-এর কথা মাথায় রেখে ঝাউবনে গড়ে উঠেছে অনেক টেন্ট ও মাড হাউস । কারেন্ট থাকলেও টর্চ ও মশার ধুপ আবশ্যই সঙ্গে রাখতে হবে । খাবার বেশ ভালো মানের । নানারকম আইটেম । ওয়েলকাম ড্রিঙ্কস, ভাত, ডাল, ভাজা, চা, পকোড়া, চিকেন, মাছ, রাতে বনফায়ার সবই উপলব্ধ । 

                    আরেকটি ব্যাপার না বললেই নয়, রাতে টর্চের আলোয় সমুদ্র বিচে নাইট ওয়াক এক দারুন অভিজ্ঞতা । রাতের খাবার সেরে ঢেউয়ের শব্দে ঘুমানো আর সকালে পাখির গানে ঘুম ভাঙা – সে এক অন্যরকম উপভোগ্য ঘটনা ।

                সকালে সূর্যোদয় দেখে নিকটবর্তী জম্বুদ্বীপের উদ্দেশ্যে রওনা দিতে পারেন। মোটামুটি দেড়ঘন্টা মতো সময়লাগে লাগে, ভাড়া জনপ্রতি ৩০০-৫০০ টাকা । সেখানে নানা প্রজাতির পাখি ও ম্যানগ্রোভ জঙ্গল আছে। ভাগ্য ভালো থাকলে হরিনের দেখা মিলতে পারে। তবে জম্বুদ্বীপে নামার অনুমতি নেই এবং সেখানে কোনো বসতি নেই। 


কিভাবে যাবেন

            ট্রেনে শিয়ালদহ থেকে নামখানা, তারপর টোটোতে করে পাতিবনিয়া ঘাট। বাসে আসলে কলকাতা থেকে বকখালিগামী বাসে হাতানিয়া-দোয়ানিয়া ব্রিজ পার করে দশমাইল স্টপেজ। সেখান থেকে টোটোতে করে পাতিবনিয়া ঘাট । এখান থেকে খেয়া পার করে ওপারে মৌসুনি দ্বীপ যেতে হবে ।

থাকার খরচ 

এডভেঞ্চার টেন্ট                         : দৈনিক মাথাপিছু খরচ ১০০০-১২০০ টাকা। 
ভিলা কটেজ ও ফ্যামিলি টেন্ট    : দৈনিক মাথাপিছু খরচ ১৪০০-১৫০০ টাকা। 
এ.সি কটেজ                                : দৈনিক মাথাপিছু খরচ ১৬০০-১৭০০ টাকা। 
নন-এ.সি. কটেজ                        : দৈনিক মাথাপিছু খরচ ১৪০০ টাকা। 

Newer Posts
Older Posts

Blog Archive

  • May 2021 (1)
  • April 2021 (2)
  • March 2021 (2)
  • February 2021 (8)
  • January 2021 (13)
  • December 2020 (2)
  • November 2020 (3)
  • October 2020 (2)

LET’S BE FRIENDS

Labels

  • আধ্যাত্মিক
  • ভ্রমণ
  • সামাজিক

Contact Form

Name

Email *

Message *

About Me

My photo
K. C.
Who doesn't want to know the unknown and to see the unseen? Writing this blog with that inquisitive mind. It is a kind of mental journey or tour, along with gaining some knowledge. Many believe that death is the only truth, and the rest of all is just an illusion. Already I have written a topic in this regard. However, to me, like death, life & this world are also true. So I have had a desire to understand it for a long time. It may be to know through the spiritual way, to realize it through travel, to benefit this world with some social knowledge, which is just trying to explain in detail in this blog. I will consider myself blessed if anyone benefited from reading this blog. (www.kallol34.com)
View my complete profile
Created By SoraTemplates | Distributed by GooyaabiTemplates